Gallery

“সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ নেই” এমন বিশ্বাসের স্বপক্ষে নাস্তিকদের দেয়া যুক্তি এবং এ ব্যাপারে আল্লাহ যা বলে

last third of night-salafigod

অনেক নাস্তিকই এমন প্রশ্ন করে থাকে যে, আল্লাহ বলে যদি আসলেই কেউ থাকেন তাহলে তিনি কেন কুরআন অবমাননাকারী কিংবা রাসূল (সা) এর কার্টুন অঙ্কনকারী কিংবা আল্লাহকে নিয়ে নোংরা চটি গল্প লেখা নাস্তিকদেরকে কোন শাস্তি দিচ্ছেন না? নাস্তিকদের দাবি- এই ব্যাপারটি থেকেই প্রমান হয়ে যায় আল্লাহ বলে কিছু নেই- সব মানুষের ভ্রান্ত বিশ্বাস, মনগড়া সৃষ্টি…(নাউজুবিল্লাহ)

আজ এক ভাই ইসরায়েলী বাহিনীর ভয়ংকর বিমান হামলায় ৩০ জন নিরীহ ফিলিস্তিনি মারা যাওয়ার খবরটি জানিয়ে প্রশ্ন করেছেন-

দুনিয়ার সব মুসলমানই সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইজরাইলের ধ্বংস কামনা করে আল্লাহর কাছে এত প্রার্থনা করে তবু কেন আল্লাহ ইজরাঈলকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন না? কেন মুসলমানদের দোয়া কবুল হচ্ছে না?

তিনি অবশ্য আল্লাহর উপর বিশ্বাস রেখেই প্রশ্নটা করেছেন, তিনি ফিলিস্তিনি মুসলমানদের উপর অত্যাচার দেখে মনের দূঃখ্যে উক্তিটি করেছেন। তবে তার প্রশ্নটির উত্তর এবং নাস্তিকদের প্রশ্নের উত্তর আসলে একই। উত্তরটা আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন-

“আর তোমরা ভেবো না যে অন্যায়কারীরা যা করে আল্লাহ্ সে-সন্বন্ধে বেখেয়াল। তিনি তাদের শুধু অবকাশ দিচ্ছেন সেইদিন পর্যন্ত যেদিন চোখগুলো হবে পলকহীন স্থির” (ইব্রাহিম-৪২)

“আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা যেন না ভাবে যে আমরা তাদের যে বিরাম দিয়েছি তা তাদের নিজেদের ভালোর জন্য। নিঃসন্দেহ আমরা তাদের অবকাশ দিই যেন তারা পাপের মাত্রা বাড়িয়ে তুলে, আর তাদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি। (সূরা-আলে ইমরান)

“আর আল্লাহ্ যদি লোকেদের পাকড়াও করতেন তারা যা অর্জন করেছে সেজন্য, তাহলে এর পিঠে তিনি জীবজন্তুদের কাউকেও ছাড়তেন না, কিন্তু তিনি এক নির্ধারিত কাল পর্যন্ত তাদের অবকাশ দিয়ে থাকেন। সুতরাং যখন তাদের নির্ধারিত কাল এসে যায় তখন আল্লাহ্ আলবৎ তাঁর বান্দাদের প্রতি সর্বদ্রষ্টা। (ফাতির-৪৫)

“আর তারা তোমাকে শাস্তি ত্বরান্বিত করতে বলে, অথচ “আল্লাহ্ তাঁর ওয়াদার কখনো খেলাফ করবেন না। আর নিঃসন্দেহ তোমার প্রভুর কাছে এক দিন তোমরা যা গণনা কর তার এক হাজার বছরের সমান। আর কত যে জনবসতি ছিল — তার জুলুমবাজি সত্ত্বেও আমি তাকে অবকাশ দিয়েছিলাম, তারপর আমি তাকে পাকড়াও করলাম, আর আমারই কাছে প্রত্যাবর্তন।” (আল-হাজ্জ: ৪৭-৪৮)

সুতরাং আল্লাহ কেন ইজরাঈলের অত্যাচারী ইহুদীদেরকে ধ্বংস করছেন না এটা নিয়ে এত হতাশ হওয়ার কিছু নেই। অত্যাচারী ইহুদীদেরকে কিংবা অবাধ্য নাস্তিকদেরকে আল্লাহ তাৎক্ষনিক শাস্তি দিচ্ছেন না, বরং তাদেরকে পাপের মাত্রা বাড়িয়ে তুলার সুযোগ দিচ্ছেন যাতে তারা আরো অধিক শাস্তির উপযুক্ত হয়…

এটা তাদের জন্য কখনোই আশীর্বাদ নয় বরং অভিশাপ…

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s