Gallery

নাস্তিক ও অমুসলিমদের ধরা কুরআনের ভুলেরজবাবঃপর্ব তিন

Science-Technology-Images-23-HD-Images-Wallpapers

নাস্তিক ও অমুসলিমদের ধরা কুরআনের ভুলেরজবাবঃপর্ব তিন

নাস্তিকদের দাবি কুরআন অবিশুদ্ধ।এ কুরআন প্রকৃত কুরআন নয়।তাদের দাবি কুরআন নাকি ছাগলে খেয়ে ফেলেছে।যাই হোক এর মাধ্যমে তাদের মুর্খতার পরিচয়ই পাওয়া যায়।তবে এটাই তাদের ধর্ম,শুধুমাত্র ইসলামের বিরোধীতা করা।নাস্তিকরা ইবনু মাযার একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দেয়,যেখানে কুরআনের রজমের আয়াত ছাগলে খেয়ে ফেলেছে বলা হয়।নাস্তিকদের অতিরঞ্জিতত মিথ্যাচার এখানেই প্রকাশ পায়।হাদিসটিতে আয়াতের কথা বলা হয়েছে আর নাস্তিকরা পুরো কুরআন ছাগলে খেয়ে ফেলেছে! তাদের এ বেহুদা কথার জবাব ইনশা আল্লহ নিচের হাদিস দ্বারা পরিষ্কার হবে,ইনশা আল্লহ।হাদিসটি (বুখারী-৬৮২৯,মুসলিম-১৬৯১,আবু দাউদ-৪৪১৮) আছে।
“হযরত উমর (রাঃ) তার এক দীর্ঘ খুতবায় বলেন,নিশ্চয় আল্লহ তা’আলা মুহাম্মদ (সাঃ) কে সত্য ধর্ম দিয়ে পাঠিয়েছেন এবং তার উপর কুরআন অবতীর্ণ করেছেন।আল্লহ তা’আলা তার উপর যা অবতীর্ণ করেন তার মধ্যে রজমের আয়াতও ছিল।আমরা তা পড়েছি,মুখস্ত করেছি ও বুঝেছি।অতঃপর রাসূল (সাঃ) রজম করেছেন এবং আমরাও তার ইন্তেকালের পর রজম করেছি।আশঙ্কা হয় বহু কাল পর কেউ বলবেঃ আমরা কোরআন মাজীদে রজম পাইনি।অতঃপর তারা আল্লহ তা’আলার পক্ষ থেকে নাযিলকৃত একটি ফরয কাজ ছেড়ে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।হযরত উমর (রাঃ) যে আয়াতের ইঙ্গিত করেছেন তা হচ্ছে,”বয়স্ক (বিবাহিত) পুরুষ ও মহিলা যখন ব্যভিচার করে তখন তোমরা তাদেরকে সন্দেহাতীতভাবে পাথর মেরে হত্যা করবে।এটিই হচ্ছে আল্লহ তালার পক্ষ থেকে তাদের জন্য শাস্তিস্বরুপ এবং আল্লহ তালা পরাক্রমশালী ও সুকৌশলী।
উক্ত আয়াতের তিলাওয়াত রহিত হয়েছে।তবে উহার বিধান চালু রয়েছে।
আরো হাদিস দেখুনঃ
১) “হযরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাঃ হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি হযরত উমর রাঃ কে বলতে শুনেছেনঃ ” লোকেরা বলে যে,তারা রজম করার কথা কুরআনে পাই না।কুরআনে কেবল চাবুক মারার হুকুম রয়েছে।জেনে রেখো যে, স্বয়ং রাসূল সাঃ রজম করেছেন,তারপর আমরাও করেছি।
” কুরআন যা নেই, উমর রাঃ তা লিখিয়ে নিয়েছেন” এ কথার ভয় যদি আমি না করতাম তবে রজমের আয়াত আমি লিখিয়ে নিতাম যেভাবে ওটা অবতীর্ণ হয়েছিল।(মুসনাদে আহমদ)

২) হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়ার রাঃ হতে বর্ণিত যে, হযরত উমর রাঃ বলেছেন, ” তোমরা রজমের হুকুম অস্বীকার করার ধ্বংস থেকে বেঁচে থাকো।(ইমাম আহমদ বর্ণনা করেছেন,ইমাম তিরমিযী রাঃ এটা আনয়ন করেছেন এবং বিশুদ্ধ বলেছেন)

৩) কাসীর ইবনে সালত রাঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,আমরা মারওয়ানের নিকট উপবিস্ট ছিলাম।সেখানে হযরত যায়েদ ইবনে সাবিতও ছিলেন।তিনি বলেনঃ “আমরা কুরআনে পড়তাম- বিবাহিত পুরুষ বা নারী ব্যভিচার করলে তোমরা অবশ্যই রজম করবে।” মারওয়ান তখন জিজ্ঞেস করেন,” আপনি কুরআন কারীমে এটা লিখেন না যে? উত্তরে তিনি বলেনঃ আমাদের উমর রাঃ বলেন, আমি তোমাদের স্বান্তনা দিচ্ছি যে, একটি লোক একদা নবী সাঃ এর কাছে আগমন করে।সে তার সামনে এরুপ বর্ণনা দেয়।আর সে রজমের বর্ণনা দেয়।কে একজন বলে, হে রাসূল সাঃ আপনি রজমের আয়াত লিখিয়ে নিন।রাসূল সাঃ বলেন আমি তো এটা লিখিয়ে নিতে পারি না।(আহমদ ও নাসাঈ)

বিস্তারিতঃ http://www.islamic-life.com/other-refutations/quran/article-missing-quranic-verse-rajam-stoning

এসব হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, রজমের আয়াত পূর্বে লিখিত ছিল।তারপর তিলাওয়াত রহিত হয় তবে হুকুম বাকি আছে।

হযরত উমর (রাঃ) এর হাদিস থেকে আমরা বুঝতে পারছি যে,আয়াতটি মানসুক বা রহিত হয়েছে।এখন এ রহিত আয়াত যদি ছাগলে খায়,তাহলে কুরআনের বিশুদ্ধতার কি পরিবর্তন আসে বলুন।রহিত আয়াত ছাগলে খেল কি গরুতে খেল এতে কি আসে যায় বলুন।মূল কুরআনের তো কোনো ক্ষতি হয় নি।এটাই কুরআনের বিশুদ্ধতার প্রমান।আর যদি ছাগলে নাও খেত,তাহলে কুরআন সংকলনের সময় হয়তো এগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হতো।এখন আপনারা হয়তো বলবেন,কুরআন কেন পুড়ানো হল? ইনশা আল্লহ পরবর্তীতে এ সম্পর্কে পোস্ট দিয়ে আপনাদের জানাবো।

নাস্তিকদের দাবি কুরআন অবিশুদ্ধ।এ কুরআন প্রকৃত কুরআন নয়।তাদের দাবি কুরআন নাকি ছাগলে খেয়ে ফেলেছে।যাই হোক এর মাধ্যমে তাদের মুর্খতার পরিচয়ই পাওয়া যায়।তবে এটাই তাদের ধর্ম,শুধুমাত্র ইসলামের বিরোধীতা করা।নাস্তিকরা ইবনু মাযার একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দেয়,যেখানে কুরআনের রজমের আয়াত ছাগলে খেয়ে ফেলেছে বলা হয়।নাস্তিকদের অতিরঞ্জিতত মিথ্যাচার এখানেই প্রকাশ পায়।হাদিসটিতে আয়াতের কথা বলা হয়েছে আর নাস্তিকরা পুরো কুরআন ছাগলে খেয়ে ফেলেছে! তাদের এ বেহুদা কথার জবাব ইনশা আল্লহ নিচের হাদিস দ্বারা পরিষ্কার হবে,ইনশা আল্লহ।হাদিসটি (বুখারী-৬৮২৯,মুসলিম-১৬৯১,আবু দাউদ-৪৪১৮) আছে।
“হযরত উমর (রাঃ) তার এক দীর্ঘ খুতবায় বলেন,নিশ্চয় আল্লহ তা’আলা মুহাম্মদ (সাঃ) কে সত্য ধর্ম দিয়ে পাঠিয়েছেন এবং তার উপর কুরআন অবতীর্ণ করেছেন।আল্লহ তা’আলা তার উপর যা অবতীর্ণ করেন তার মধ্যে রজমের আয়াতও ছিল।আমরা তা পড়েছি,মুখস্ত করেছি ও বুঝেছি।অতঃপর রাসূল (সাঃ) রজম করেছেন এবং আমরাও তার ইন্তেকালের পর রজম করেছি।আশঙ্কা হয় বহু কাল পর কেউ বলবেঃ আমরা কোরআন মাজীদে রজম পাইনি।অতঃপর তারা আল্লহ তা’আলার পক্ষ থেকে নাযিলকৃত একটি ফরয কাজ ছেড়ে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।হযরত উমর (রাঃ) যে আয়াতের ইঙ্গিত করেছেন তা হচ্ছে,”বয়স্ক (বিবাহিত) পুরুষ ও মহিলা যখন ব্যভিচার করে তখন তোমরা তাদেরকে সন্দেহাতীতভাবে পাথর মেরে হত্যা করবে।এটিই হচ্ছে আল্লহ তালার পক্ষ থেকে তাদের জন্য শাস্তিস্বরুপ এবং আল্লহ তালা পরাক্রমশালী ও সুকৌশলী।
উক্ত আয়াতের তিলাওয়াত রহিত হয়েছে।তবে উহার বিধান চালু রয়েছে।
আরো হাদিস দেখুনঃ
১) “হযরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাঃ হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি হযরত উমর রাঃ কে বলতে শুনেছেনঃ ” লোকেরা বলে যে,তারা রজম করার কথা কুরআনে পাই না।কুরআনে কেবল চাবুক মারার হুকুম রয়েছে।জেনে রেখো যে, স্বয়ং রাসূল সাঃ রজম করেছেন,তারপর আমরাও করেছি।
” কুরআন যা নেই, উমর রাঃ তা লিখিয়ে নিয়েছেন” এ কথার ভয় যদি আমি না করতাম তবে রজমের আয়াত আমি লিখিয়ে নিতাম যেভাবে ওটা অবতীর্ণ হয়েছিল।(মুসনাদে আহমদ)

২) হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়ার রাঃ হতে বর্ণিত যে, হযরত উমর রাঃ বলেছেন, ” তোমরা রজমের হুকুম অস্বীকার করার ধ্বংস থেকে বেঁচে থাকো।(ইমাম আহমদ বর্ণনা করেছেন,ইমাম তিরমিযী রাঃ এটা আনয়ন করেছেন এবং বিশুদ্ধ বলেছেন)

৩) কাসীর ইবনে সালত রাঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,আমরা মারওয়ানের নিকট উপবিস্ট ছিলাম।সেখানে হযরত যায়েদ ইবনে সাবিতও ছিলেন।তিনি বলেনঃ “আমরা কুরআনে পড়তাম- বিবাহিত পুরুষ বা নারী ব্যভিচার করলে তোমরা অবশ্যই রজম করবে।” মারওয়ান তখন জিজ্ঞেস করেন,” আপনি কুরআন কারীমে এটা লিখেন না যে? উত্তরে তিনি বলেনঃ আমাদের উমর রাঃ বলেন, আমি তোমাদের স্বান্তনা দিচ্ছি যে, একটি লোক একদা নবী সাঃ এর কাছে আগমন করে।সে তার সামনে এরুপ বর্ণনা দেয়।আর সে রজমের বর্ণনা দেয়।কে একজন বলে, হে রাসূল সাঃ আপনি রজমের আয়াত লিখিয়ে নিন।রাসূল সাঃ বলেন আমি তো এটা লিখিয়ে নিতে পারি না।(আহমদ ও নাসাঈ)

বিস্তারিতঃ http://www.islamic-life.com/other-refutations/quran/article-missing-quranic-verse-rajam-stoning

এসব হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, রজমের আয়াত পূর্বে লিখিত ছিল।তারপর তিলাওয়াত রহিত হয় তবে হুকুম বাকি আছে।

হযরত উমর (রাঃ) এর হাদিস থেকে আমরা বুঝতে পারছি যে,আয়াতটি মানসুক বা রহিত হয়েছে।এখন এ রহিত আয়াত যদি ছাগলে খায়,তাহলে কুরআনের বিশুদ্ধতার কি পরিবর্তন আসে বলুন।রহিত আয়াত ছাগলে খেল কি গরুতে খেল এতে কি আসে যায় বলুন।মূল কুরআনের তো কোনো ক্ষতি হয় নি।এটাই কুরআনের বিশুদ্ধতার প্রমান।আর যদি ছাগলে নাও খেত,তাহলে কুরআন সংকলনের সময় হয়তো এগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হতো।এখন আপনারা হয়তো বলবেন,কুরআন কেন পুড়ানো হল? ইনশা আল্লহ পরবর্তীতে এ সম্পর্কে পোস্ট দিয়ে আপনাদের জানাবো।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s