Gallery

নাস্তিক অমুসলিমদের ধরা কুরআনের ভুলের জবাবঃ পর্ব চার

Science-Technology-Images-23-HD-Images-Wallpapers

প্রশ্নঃ কুরআনে সূরা মরিয়মের ২৮ আয়াতে হযরত মরিয়ম (আঃ) কে হারুনের ভগ্নি বলা হয়েছে।অথচ আল্লহ ও মুহাম্মদ কি জানতেন না যে, হযরত হারুন (আঃ),হযরত মরিয়ম (আঃ) এর বহু পূর্বে গত হয়েছিলেন? (নাউজুবিল্লাহ)

উত্তরঃ মহান আল্লহ সব কিছু জানেন।আল্লহর জ্ঞানের পরিধি অসীম।অথচ এই মুর্খরা কি বলছে তা কখনো ভেবে দেখে না?
আয়াতগুলো আগে দেখে নি—

“অতঃপর তিনি সন্তানকে নিয়ে তার সম্প্রদায়ের নিকট উপস্থিত হলেন, তারা বললোঃ হে মারইয়াম! তুমি তো এক অদ্ভুত কান্ড করে বসেছো।”(১৯:২৭)

“হে হারুন ভগ্নি, তোমার পিতা অসৎ ব্যক্তি ছিলেন না এবং তোমার মাতাও ছিলেন না ব্যভিচারিণী।” (১৯:২৮)

নিচের হাদিস দ্বারা আমরা বিষয়টি পরিষ্কার হবো ইনশা আল্লহ।

…..হযরত মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,” রাসূল (সাঃ) আমাকে নাজরানে প্রেরণ করেন।সেখানে আমাকে খৃষ্টানরা জিজ্ঞেস করেঃ তোমরা “উক্ত আয়াত” পড়ে থাকো।অথচ হযরত মুসা (আঃ) তো ঈসার (আঃ) বহু পূর্বে অতীত হয়েছেন?ঐ সময় আমি তাদের এ প্রশ্নের জবাব দিতে পারলাম না।মদিনায় ফিরে এসে আমি রাসূল (সাঃ) কে ওটা বর্ণনা করলাম।তিনি বললেনঃ ” তুমি তো তাদেরকে ঐ সময়েই এ উত্তর দিতে পারতে যে, ঐ লোকেরা তাদের পূর্ববর্তী নবী ও সৎ লোকদের নামে তাদের সন্তানদের নাম বরাবরই রেখে আসতো।(মুসনাদে আহমদ,সহীহ মুসলিমেও আছে।ইমাম তিরমিযী (রাঃ) এটাকে হাসান গারীব বলেছেন)।
এ থেকে স্পষ্ট যে,এখানে হারুন বলতে হযরত হারুন (আঃ) কে বোঝানো হচ্ছে না।কারণ তখনকার লোকেরা তাদের সন্তানের নাম পূর্ববর্তী নবী ও সৎ ব্যক্তিদের নামে রাখত।

“সত্য এসেছে মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, মিথ্যা তো বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।”

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s