Gallery

নাস্তিকতার বাস্তবতা|

wpid-6761498181_77e783aa3d_b1

নাস্তিকতা হলো ধর্মের বাঁধন ছিন্ন করে মুক্ত মনের মানুষ হওয়া।তবে মূলত নাস্তিকতা প্রকৃতিপূজা,ব্যক্তিপূজা ও প্রবৃত্তি পূজার এক সংমিশ্রণ।সৃষ্টিকর্তা জড় না জীব ইত্যাদি প্রশ্ন তাদের চিন্তাভাবনার প্রকাশ ঘটায়।অনেক সময় এদের বহু ঈশ্বরবাদী বলেও মনে হয়।তবে সমালোচনার ক্ষেত্রে এদের মধ্যে একটা বিষয় হলো common তা হলো ‘ইসলাম’।এদের আলোচনার মূল টপিকই হলো Islam।অন্য ধর্মের দিকে এদের দৃষ্টি কমই পরিলক্ষিত হয়।যতসমস্যা এদের ইসলাম নিয়ে।তবে আলহামদুলিল্লাহ এজন্য ইসলামের মর্যাদা ও সম্মান কিছুই কমে নি।আজও ইসলাম বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধর্ম।আজও ইসলামের প্রসার ঘটছে তড়িৎ গতিতে।

—–আস্তিক ও নাস্তিকের সৃষ্টি ধারণাঃ-

আস্তিকঃ আমাকে একজন জ্ঞানী স্রষ্টা সৃষ্টি করেছেন।
নাস্তিকঃ জড় প্রকৃতি আমাকে সৃষ্টি করেছে।
—-★★ পার্থক্য কেবল স্রষ্টার বৈশিষ্ট্য।।

আজ বিশ্বের কত রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।এই বিশ্বের সমস্ত রহস্য আমাদের বোধগম্য নয়।এগুলো সম্পর্কে না জেনেই নাস্তিকরা কেন স্রষ্টা না থাকার দাবি কেন করে জানি না? কথায় আছে-” অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী।”

~~~ আমি নাস্তিক হবো সেদিন প্রমাণিত হবে মৃত্যু মিথ্যা।তার আগে নয়।যদি আল্লহর উপর বিশ্বাস রাখি তাহলে আখিরাতে আমি বেঁচে গেলাম,কিন্তু আপনি(নাস্তিক) ধরা খাবেন।আর যদি আল্লহ না থাকেন(নাউজুবিল্লাহ) তাহলে আমিও বেঁচে গেলাম,আপনিও বেঁচে গেলেন।পুরোপুরি লাভের শতভাগ আমার থলেতে।কিন্তু এই সংশয়বাদী জীবন নিয়ে আখিরাতে ধরা খাওয়ার ইচ্ছা আমার নেই।

♪♪নাস্তিকরা দ্বৈত নীতিতে চলেঃ-” সকল ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস আর সুবিধামত অবিশ্বাস ও সন্দেহ।”♪♪

%% পরিকল্পনা,নকশা,জটিলতা,নৈপুণ্য,
সৌন্দর্য,প্রক্রিয়া ও বিভিন্ন অংশের সমন্বয়ঃএই বিষয়গুলো যেখাসে উপস্থিত সেখানেই কোন সত্তার হস্তক্ষেপ আছে বলে মানুষ বিশ্বাস করে।অথচ” নাস্তিকদের ‘যুক্তিভ্রম’ হচ্ছে কোনো সৃষ্টিকর্তা নেই? %%

#কেউ যদি কাগজে ‘ক’ অক্ষরটি লেখা পায়,তার মস্তিষ্কে সহজাতভাবেই তাকে জানিয়ে দেবে যে,এটা ‘কেউ’ লিখেছে।অথচ বিশ্বের দিকে তাকালে আপনার মনে হয় এটা “আপনা আপনি” উৎপত্তি হয়েছে?? এর জন্য একজন পরিকল্পনার আদেশের তো প্রয়োজন নাকি??

৳৳ আপনি যদি বলেন,কোনো ছাপাখানায় বিস্ফোরণের মাধ্যমে ‘গীতাঞ্জলী’ রচিত হয়েছে,তাহলে শুধু রবীন্দ্রনাথ ভক্তই নয়,সকল মানুষই আপনাকে মুর্খ বলবে। ৳৳

নাস্তিক বলবে,”মহাবিশ্বের স্রষ্টা নেই।”
আস্তিক বলবে,”মহাবিশ্বের স্রষ্টা আছে তবে তার কোনো স্রষ্টা নেই।”
— বিষয়টা অনেকটা এরুপঃ
–চিত্রের চিত্রকর নেই।
–চিত্রের চিত্রকর আছে যার চিত্রকর নেই।নাকি বলবেন চিত্রকরকে কে আঁকল?

@@ আপনি ঘড়ির ডিজাইন (design) ব্যাখ্যা করতে পারেন বলে কি- ঘড়ির Maker নেই?
তদ্রুপ মহাবিশ্বের ডিজাইন আপনি ব্যাখ্যা পারেন বলে কি মহাবিশ্বের স্রষ্টা নেই? @@

>> গীতাঞ্জলী বিশ্লেষণ করে দেখা গেল যে সেখানে সব ক,খ,গ,ঘ,ঙ,চ,ছ……সুতরাং রবীন্দ্রনাথ নেই- একথা কি কেউ বলবে?

বিশ্বের বড় বড় বিজ্ঞানীরা সবাই ঈশ্বরের অস্তিত্ব অনুভব করেছিলেন।তবুও যদি কোনো বিজ্ঞানী নাস্তিক হয় তাহলে তার জন্য ইকুয়েশন হলঃ

বিজ্ঞানীর নাস্তিকতা=বিজ্ঞানী-বিজ্ঞান+সাহিত্য×দর্শন

♪♪আর আপনাদের জন্য তো সহজ চ্যালেজ্ঞ দিয়েই রেখেছিলাম।উন্নত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে অস্তিত্বহীনতা থেকে একটা মাছি এনে দিন।আরো সহজ করে দিচ্ছি মাছি মরা হলেও চলবে। ♪♪

>>আর যদি না পারেন ভয় করুন সেই জাহান্নামকে যেখানে জ্বালানী হবে মানুষ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s