Gallery

༺ দেশ এখন এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে! ༻

দেশকে ইসলাম শূন্য করার ষড়যন্ত্র জনগণ সফল
হতে দেবে নl : দেশ এখন এক ক্রান্তিকাল
অতিক্রম করছে। রাজনীতিকদের
ব্যর্থতা জাতিকে কঠিন সংকটের
দিকে ঠেলে দিয়েছে। দেশ নজিরবিহীন সংঘাত
ও সহিংসতার দিকে এগুচ্ছেবলে জনমনে নানা শঙ্কা। দেশ
কোন দিকে যাচ্ছে, রাষ্ট্র কতটা ঝুঁকিতে আছে,
গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কী, অথবা জাতির
ভাগ্যে আরো কী কী আছে ইত্যাদি কিছুই
যুক্তি বুদ্ধি নিয়ম ও ঐতিহ্যের মানদ-ে স্পষ্ট
হচ্ছে বলে মনে হয় না। দেশ সমাজ রাষ্ট্র ও রাজনীতির কথা সংশ্লিষ্টজনেরা যথেষ্ট
ভাবছেন, বলছেন। এখানে বাংলাদেশের
গণমানুষের ধর্ম, রীতি- ঐতিহ্য ও আদর্শ
নিয়ে কিছু বলার তাগিদ অনুভূত হচ্ছে।
জরুরিহয়ে পড়েছে কিছু উদ্বেগ ও
উপলদ্ধি প্রকাশ করা। যারা যে আদর্শে যে উদ্দেশ্যেই
রাজনীতি করছেন, করুন- কিন্তু বাংলাদেশের
মানুষের ধর্ম, রীতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য যেন
তারা ধ্বংস না করেন। বুঝে না বুঝে তারা কেউ
যেন বাংলাদেশের অমূল্য সৌন্দর্য ও মহান
অর্জনগুলো বিনষ্ট না করেন। কিছু অসংলগ্ন ও অন্যায়-আচরণ থেকে চিন্তাশীল
নাগরিকরা উৎকণ্ঠিত না হয়ে পারছেন না।
প্রবাসী বাংলাদেশীরা ভীষণ উদ্বিগ্ন দেশের
বিরাজমান এ অনিশ্চয়তা দেখে। ধর্মপ্রাণ
জনগণ ভয়ানক দুশ্চিন্তায় রয়েছেন
কারো কারো অন্যায় একগুঁয়েমিআর অবিশ্বাস্য আচরণে। শতকরা ৯৩ ভাগ মানুষের ধর্মবিশ্বাস
নিয়ে কিছু রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীর মারাত্মক
উক্তি, আচরণ এবং ন্যক্কারজনক ভূমিকায়
দেশবাসী চরম ক্ষুব্ধ। তারা তাদের এ দুঃখ ও
ক্ষোভ প্রকাশের অধিকার থেকে বঞ্চিত
হয়ে যাচ্ছে বলে শংকিত। গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোট প্রদানের স্বাধীনতা শাসক
নির্বাচনের সুযোগ ভিন্নমত প্রকাশের
সুবিধা ইত্যাদি সবই
হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে বলে জনগণ উদ্বিগ্ন।
এসব কিছুই চলমান জীবনযুদ্ধের অংশ।
জনআকাক্সক্ষা, স্বপ্নসাধ ও চাওয়া পাওয়া নষ্ট হলে মানুষ আশাহত হয়। রাজনীতির খেলায়
কৌশলে বা লড়াইয়ে একদল জয়ী হবে, আরেক দল
হেরে যাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ঈমান,
ইসলাম, ধর্ম ও মানবতার ক্ষতি কোন
বিশ্বাসী মানুষ মেনে নিতে পারে না। ধর্মীয়
আবেগ অনুভূতি আহত হলে প্রতিটি সচেতন মানুষই ব্যথীত হয়। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ, বিএনপি,
জাতীয় পার্টি বা অন্য কোন দলের প্রশ্ন
থাকে না। দল, নির্দল, নির্বিশের মুসলমান
মাত্রই আল্লাহ ও রাসূল (সা:)কে ভালবাসেন।
মসজিদ, মাদরাসা, কোরআন, সুন্নাহ, ধর্মীয়
রীতি-নীতি ও মূল্যবোধের জন্য হৃদয়ে টান অনুভব করে। মুষ্টিমেয় নাস্তিক-মুরতাদ
ছাড়া বাংলাদেশের কোন মানুষই
ধর্মবিরোধী বা বিদ্বেষী নয়। গুটিকয় চিহ্নিত
ধর্মদ্রোহী ছাড়া বাংলাদেশের কোটি তরুণ
ইসলামের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত।
স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ইসলাম ও মহানবী (সা.)-এর প্রশ্নে বাংলাদেশের আবাল-
বৃদ্ধ- বণিতা আপসহীন। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ।
বাংলাদেশের ৪৩ বছরের জাতীয় মনোবৃত্তির
ধারা। সর্বশেষ এপ্রিল ও মে মাসের
ঈমানী গণজাগরণ। একথা খুব জোর দিয়ে বলা যায় যে, বাংলাদেশের
স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের
প্রেরণা মূলত ইসলামের আদর্শ ও শিক্ষা থেকেই
উৎসারিত। শতকরা ৯৩ ভাগ মুসলমানের
দেশে ৩০ লাখ মানুষ জীবন
দিয়ে পাকিস্তানী শোষক ও উৎপীড়কদের পরাজিত এবং বিতাড়িত করেছিল। প্রয়োজনে এ
দেশের মানুষ আবার জীবন দিয়ে হলেও
নিজেদের ঈমান, সম্মান, সম্পদ, স্বাধীনতা ও
সৌহার্দ্যকে রক্ষা করবে। এ কথা সকল দলের
ভেতরকার ঈমানদার মানুষেরই মনের কথা।
সুতরাং ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধকে রাজনীতি ও দলাদলির
ঊর্ধ্বে রাখার বিকল্প নেই। এ ছিল দেশের
বিভিন্ন স্তরের ও শ্রেণী পেশার মানুষের
উপলব্ধির সারনির্যাস। চলমান ধারায়
ধর্মবিদ্বেষপ্রসূত নানা কর্মকা- দেশ-
বিদেশের সচেতন মানুষ খুব সতর্কভাবে উপলব্ধি করছেন।
ফ্লোরিডা থেকে আকরাম হোসেন লিখেছেন,
মহাজোট সরকারের অন্যতম সাবেক
নেতা হুসেইনমুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, শেখ
হাসিনা নাস্তিক-মুরতাদদের চাপে সংবিধান
থেকে আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাস তুলে দিয়েছেন। তিনি আবার ক্ষমতায়
এলে মসজিদে আজান বন্ধ করে দেবে। এ
কথা শোনার পর আমরা বিস্মিত হইনি।
তবে এরশাদ সাহেবের প্রতি মনটা বিরক্ত
হয়ে যায় এ জন্যে যে, তিনিও তো এই
সংসদে ছিলেন। যখন আল্লাহর উপর বিশ্বাস তুলে দেয়া হয়, তখন তিনি কি প্রতিবাদ
করতে কিংবা ভোটদানে বিরত থাকতে পারলেন
না। আমার তো মনে হয়, আল্লাহর উপর
আস্থা তুলে দেয়ার সময় যেসব মুসলিম
এমপি সংসদে থেকে এ বিলের পক্ষে ভোট
দিয়েছেন তাদের পুনরায় ঈমান আনতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে জনগণের ভোটাধিকার
এমনকি প্রার্থী হওয়ার অধিকারটুকুও
কৌশলে কেড়ে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে স্বৈরামন
পরিচয় দিয়েছেন, তাতে মনে হয়। তিনি জোর
করেই ক্ষমতায় থেকে যাবেন। তখন এরশাদ
সাহেবের কথা মত আজান ও নামাজ বন্ধ হওয়ার পথে আর বাধা থাকবে কি? এখন থেকেই
তো আজান, নামাজ বন্ধের কাজ শুরু হয়ে গেছে।
দেশের নানাস্থানে যৌথবাহিনীর নামে দলীয়
ক্যাডার ও পোষাকধারী বাহিনী যে অমানবিক
তা-ব চালাচ্ছে বলে খবর পাচ্ছি, তাতে মনে হয়
দেশে দখলদার বাহিনীর আগ্রাসন চলছে। নারী, শিশু, বাড়ি, ঘর পশু-পাখী কিছুই আজ
বাংলাদেশে নিরাপদ নেই। রাতের
অন্ধকারে দেশের প্রত্যন্ত
অঞ্চলে চলছে গোলাগুলি, অগ্নিসংযোগ,
বুলডেজার দিয়ে, বাড়ি ঘর ভেঙ্গে ফেলা,
একে অন্যকে কুপিয়ে হত্যা করা। নীলফামারীর অনেক জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে আজান-
নামাজ বন্ধ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে আতংক ছড়ানো হচ্ছে যে, যৌথ
বাহিনী আন্দোলন দমনের নামে দেশের লাখ
লাখ দেশপ্রেমিক
ইসলামপন্থী মানুষকে হত্যা করবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন,
তালিকা তৈরি করে বিরোধীদলের
নেতাকর্মীদের হত্যার জন্য
যৌথবাহিনী নামানো হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরবিশিষ্ট
রাষ্ট্রবিজ্ঞানীবলেছেন, দেশে টার্গেটেড কিলিং হতে পারে। আফগানিস্তান ও
ইসরায়েলের মত পরিস্থিতি বাংলাদেশেও
হওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর। সংবাদপত্রে এসেছে,
সরকারের উচ্চমহলে আলোচনা হয়েছে যে, ৫ লাখ
মানুষ মেরে হলেও বর্তমান সরকার ক্ষমতায়
থাকবেই। মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, দেশে মৌলবাদ দমন করা হবে। রক্তের কিছু
ছিটাফোঁটা তো লাগবেই। বাংলাদেশের সবুজ
ঘাস কিছুটা লাল হয়েই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়
থাকবে। মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন,
আন্দোলন দমনে দেখামাত্র গুলিরনির্দেশ
দেয়া হবে। দেশের অন্যতম শীর্ষ রাষ্ট্র ও সমাজবিজ্ঞানী নাম প্রকাশ না করার
শর্তে বলেন, হাজার মাইলের দীর্ঘ
যাত্রা একটি পদক্ষেপ দিয়েই শুরুহয়।
বাংলাদেশের একশ্রেণীর কুলাঙ্গারের
সীমাতিরিক্ত আস্ফালন দেখে আমরা বিস্মিত।
মহানবী (সা.) সম্পর্কে একশ্রেণীর নাস্তিক- মুরতাদ যে জঘন্যতম উক্তি ও অপপ্রচার করেছে,
এরপর আর বাংলাদেশের মুসলমানদের
বেঁচে থেকে লাভ কি? বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শত
অনুরোধ করা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী এ
বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি। সরকার
বরং এসব কুলাঙ্গারকে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে গেছে। দেশের নির্দলীয়
তৌহিদি জনতা ইমানি আবেগ নিয়ে এ সবের
নিন্দা ও প্রতিবাদ করেছেন। আলেম-ওলামা-
পীর-মাশায়েখ ও ইমাম- খতিবগণ
হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে এ
ইমানি জাগরণে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সরকার অন্যায়ভাবে ৫ ও ৬ মে গুলিস্তান আওয়ামী লীগ
অফিসের আশপাশে এবং শাপলা চত্বরে হাজার
হাজার সদস্যের সম্মিলিত
বাহিনী নামিয়ে দেড় লক্ষাধিক গুলিবর্ষণ
করে তাদের ওপর নজিরবিহীন অত্যাচার
চালিয়েছে। রোজাদার, শান্ত, ক্লান্ত, ঘুমন্ত নামাজ জিকিররত লাখো নিরীহ মানুষকে হতাহত
ও উৎপীড়িত করে সরকার নিজের
ইসলামবিদ্বেষী অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
যে ব্যথা, বেদনা ও ক্ষোভ নিয়ে হেফাজত
ঢাকা ছেড়েছে, এর অভিশাপ এই সরকারের ওপর
পতিত হয়েছে। তা না হলে বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগ ইতিহাসের এমন জঘন্যতম
ধিক্কার নিন্দা, ঘৃণা ও সমালোচনার
মুখে পড়বে কেন? আমার ধারণায় আওয়ামী লীগ
অপমানিত ও লাঞ্ছিত একটি দলে পরিণত হতে আর
বেশি দিন দেরি নেই। মুখে আনতে হয় না এমন
একটি কথাও বলেই ফেলি, মানুষের জীবনের শেষ পরিণতি তো কেউ বলতে পারবে না। তবে আলামত
দেখে মনে হয়, প্রধানমন্ত্রীর জীবনের শেষ
পরিণামও খুব একটা ঈর্ষণীয় হবে না। প্রবীণ
সাংবাদিক এবিএম মূসা যেমন বহুআগেই
বলেছেন, শেখ হাসিনার মন্দ পরিণতির সময়
তার দশাও বঙ্গবন্ধুর মতোই হবে। চারপাশের সুবিধাবাদী খয়েরখারা তখন পালাবে।
নিকটতম লোকেরাই তখন আবদুল মালেক উকিলের
মতো বলতেও পারে যে, ফেরাউনের পতন হয়েছে।
একান্ত ভক্ত ও সহচর হয়েও মালেক উকিল সেদিন
লন্ডনে গিয়ে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এমন মন্তব্য
করেছিলেন। দেশে কথায় কথায় আলেম- উলামাদের গালাগাল ও অপমান করা হচ্ছে,
ইসলামী বইপত্র পেলেই পুলিশ ও র্যাব
বাজেয়াপ্ত করছে, ইসলামী লেবাস- পোশাক
পরা তরুণদেখামাত্রই সন্দেহ, হয়রানি ও
গ্রেফতার করা হচ্ছে। ধর্মীয় ভাবধারার
নারী- পুরুষকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। ইসলাম ও ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর
উপর্যুপোরি আঘাতে আঘাতে ধর্মপ্রাণ
তৌহিদী জনতা চরমভাবে ক্ষুব্ধ। সমাজের
পরতে পরতে নানা অসন্তোষ ও দুঃখ-
বেদনা দানা বেধে বেধে এখন দেশ
বিস্ফোরণোন্মুখ হয়ে আছে। রাজনৈতিক আন্দোলন বা নাগরিক চাওয়া-পাওয়া হয়ত সামাল
দেয়া যায় কিন্তু ধর্মীয় চেতনার আগ্নেয়গিরির
জ্বালামুখ যখন লাভা উদগীরণ শুরু করে তখন এর
সামনে কোন বেঈমান- নাস্তিক-মুরতাদ
শক্তি দাঁড়াতেই পারে না। তৌহিদী গণমানুষের
ঈমানী জাগরণের সর্বগ্রাসী ঝড়ের মোকাবেলায় ইনশাআল্লাহ কোন
শক্তি একমুহূর্তেও টিকতে পারবে না।
রাজধানীর বিশিষ্ট আলেম ও পীর আল্লামা আবুল
হাবিব নূরুল আবসার ইনকিলাবকে বলেন, ইসলাম
এ দেশে বিপন্ন নয়। বাংলার মুসলমান মোটেও
অসহায় নয়। এ দেশের মাটির নীচে শত সহস্র পীর আউলিয়া কামিল পুরুষ শুয়ে আছেন। হাজার
বছর আগে যারা একা একা এদেশে ইসলামের
দীপশিক্ষা হাতে ধর্মপ্রচারে এসেছিলেন।
যাদের ঈমানী শক্তিবলে আজ কোটি কোটি মানুষ
মুসলমান। কোন শয়তানের ফুঁৎকারে ইসলামের
প্রদীপ নিভে যাবে, এমন মনে করা ঠিক হবে না। মানুষ খুব সচেতন। জুলুম, অত্যাচার,
অপপ্রচার ও ধৃষ্টতা বন্ধ
না হলে অপশক্তি প্রতিরোধে মুসলমানরা জীবন
দিতেও কুন্ঠিত হবে না। কারা কোন দল করেন,
কে ইসলামের পক্ষে কথা বলবেন বা কাজ করবেন
সে অপেক্ষায় মানুষ বসে থাকবে না। আওয়ামী লীগের যে সব নেতা বলেছেন, আবার
ক্ষমতায় এলে সংবিধানে ধর্মের নাম গন্ধটাও
রাখবে না যারা বিসমিল্লাহও
রাষ্ট্রধর্মকে বলেছেন, ‘অপচ্ছায়া’
তারা ছলে বলে কৌশলে ক্ষমতায়
এসে কী কী করবেন তা মানুষ জানে। দেশব্যাপী নাস্তিক-মুরতাদদের সীমাতিরিক্ত
বাড়াবাড়িতে বিশ্বাসী মানুষ চরম ক্ষুব্ধ।
বিশ্বনবী (সা.)-এর অবমাননা এখনও বন্ধ
হয়নি। নানামুখে নানাভঙ্গিমায়
ইসলামবিরোধীতা ননষ্টপ গতিতে চলছেই।
তৌহিদী জনতা এসব ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না। ইসলাম তাদের কাছে জীবনের
চেয়েও বড়। রক্ত দিয়ে হলেও
দেশবাসী ইসলামবিরোধী সকল চক্রান্ত
রুখবেই। দেশকে ইসলাম শূন্য করার ষড়যন্ত্র
তারা কিছুতেই সফল হতে দিবে না।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s